টেনেট মুভি রিভিউ: Tenet 2020 Movie explained in Bangla

Tenet Movie Review in Bangla

টেনেট মুভি 2020 রিভিউ

টেনেট এক্সপ্লেনেশন বাংলায়

টেনেট মুভি রিভিউ

Tenet শব্দটা নিজেই প্যালিনড্রোম। রিভার্স করলে একই হয় যেহেতু। পপ সায়েন্স নির্ভর টুকটাক ভিডিও দেখার ফলে স্বল্প জ্ঞানে যতটুকু জানি যে ফিজিসিস্টরা arrow of time নামের একটা ফেনোমেনন ব্যাখা করার চেষ্টা করে।

কেন আমরা মনে করি সময় সামনের দিকে এগোচ্ছে? কেন হাত থেকে পড়ে গেলে কোন গ্লাস ভাঙার বদলে ভাঙা, গ্লাস জোড়া লেগে হাতে উঠে আসে না?

বুলেট কেন পিস্তল থেকে বের হয়ে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার বদলে লক্ষ্যবস্তু থেকে পিস্তলে ফিরে আসে না?

এনট্রপি (Entropy) কামস ইনটু প্লে ইন সাচ কেইসেস। বস্তুজগতের সবকিছু ধীরে ধীরে শৃঙ্খলা থেকে বিশৃঙ্খলার দিকে যাচ্ছে।

এনট্রপি হচ্ছে পদার্থের অন্তঃস্থিত বিশৃঙ্খলার পরিমাপ। এখানে অনেক খুঁটিনাটি ব্যাপার আছে।

এনট্রপির ম্যাথগুলা করলে জানা যায়, এটাকে শক্তি এবং তাপমাত্রার এককে (জুল/ কেলভিন) প্রকাশ করা হয়। যাহোক পদার্থের মধ্যে সুশৃঙ্খল স্টেটের চেয়ে বিশৃঙ্খল স্টেট তৈরি হবার সম্ভাবনা লক্ষগুণ বেশি।

এনট্রপিও সেজন্য অবধারিতভাবে বাড়ে। মনে পড়ল ইন্টারের ফিজিক্স বইয়ের তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র চ্যাপ্টারের অঙ্কগুলার কথা।

এনট্রপি বাড়তে বাড়তে মহাবিশ্ব একদিন শীতল হয়ে যাবে আর তখনই জীবজগতের তাপীয় মৃত্যু ঘটবে।

টেনেট মুভি এক্সপ্লেনেশন
টেনেট মুভি গল্প। টেনেট ছবির বিস্তারিত

এইখানেই আসল কথাটা। তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্রানুসারে এনট্রপি কখনো কমতে পারে না যেহেতু তাপ শীতল বস্তু থেকে উষ্ণ বস্তুতে যায় না। এনট্রপি এই বৃদ্ধির কারণেই সময়কে ইররিভার্সেলবল প্রতীয়মান হচ্ছে।

নোলান এটা নিয়েই করল Tenet। এনট্রপি কমানোর মেকনিজম/ এলগরিদম দিয়ে সময়কে রিভার্স করে দিল। তাতে করে ফিউচার থেকে পাস্টে যাওয়া গেল। বিশৃঙ্খলা থেকে শৃঙ্খলার দিকে যাওয়া গেল।

(লেখাপত্র পড়ে যা জানলাম তা হল এনট্রপি রিভার্স করা মানে টাইম ব্যাকওয়ার্ড ডিরেকশন নিয়ে যাওয়া না। অতীতে যাওয়াও তাই সম্ভব না।

দেন এগেন ইউ নিড টু একসেপ্ট দ্যাট দিস পার্ট ইজ ফিকশনাইজড) সিনেমায় দেখা গেল বুলেট ফায়ার হবার বদলে তা উল্টো পিস্তলে ঢুকতেছে গাড়ি যাচ্ছে উল্টো দিকে।

ফাইটগুলো উল্টো হইতেছে। গাড়ি ক্র্যাশে জ্বলে মরার বদলে প্রোটাগনিস্টের হাইপোথর্মিয়ার মৃত্যুর সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।

Neil এর ডায়লগ মনে পড়ছে, “you might be the first case of hypothermia from a gasoline explosion in history.” তো এইসব আইডিয়া দিয়ে সিনেমাটা প্যাকড।

ইনভার্টেড ফাইট সিনগুলা খুব ভালোই লেগেছে।

আপাতত Tenet নিয়ে মাথা ঘোড়াচ্ছি। আর একটা ব্যাপার যে এই সিনেমার স্ক্রীনপ্লেটা এতো ফাস্ট না আগালে খাপছাড়া কম লাগতো।

আরো বেশি ডায়লগ নির্ভর হওয়া দরকার ছিল সিনেমাটা। তারপরও রিভার্স ক্রনোলজিতে যেসব চমৎকার দৃশ্যপট দেখা গেল সিনেমাটায় তা ক্রিস্টিফার নোলান সাহেব এর সিগনেচার ট্রেডমার্ক হিসেবেই মনে রাখবো।

Leave a Comment

Total Views: 658

Scroll to Top